সর্বশেষ

চিকিৎসা

ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে খাদ্যতালিকায় রাখুন ৫ খাবার

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ ৯:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে ও লিভারের সুস্থতা বজায় রাখতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের খাবারে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ কিছু খাবার রাখলে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। সবুজ শাক, তৈলাক্ত মাছ, আখরোট, বিট ও ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল হতে পারে খাদ্যতালিকার উপকারী সংযোজন।

মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভার। শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণ, রক্ত পরিশোধন, প্রোটিন তৈরি এবং খাবার হজমে সহায়তাসহ নানা কাজ করে এই অঙ্গ। তবে অতিরিক্ত মদ্যপান, চিনিযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও বেশি ভাজাপোড়া খাওয়ার অভ্যাস লিভারের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিগুণের কারণে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে পাঁচ ধরনের খাবার।

১. সবুজ শাক ও সবজি

পালংশাক, মেথি ও পুঁইশাকের মতো সবুজ শাকে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। খাদ্য আঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখে। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সুবিধা হয়।

২. তৈলাক্ত মাছ

সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছসহ বিভিন্ন ধরনের মাছে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে। বিপাকীয় স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও ওমেগা-৩ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে মাছ খাওয়া উপকারী হতে পারে।

৩. আখরোট

আখরোটে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, আর্জিনিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এসব পুষ্টি উপাদান লিভারের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে বাদামজাতীয় খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ও খাদ্যাভ্যাস বিবেচনা করা জরুরি।

৪. বিট

বিটে রয়েছে খাদ্য আঁশ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও নাইট্রেট। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেও বিটের পুষ্টি উপাদান ভূমিকা রাখতে পারে। সালাদ বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে বিট খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা যায়।

৫. লেবু ও ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল

লেবু, পেয়ারা ও আমলকির মতো ফলে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। এটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করে। এসব ফল নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খাওয়া শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।

তবে শুধু নির্দিষ্ট কিছু খাবার খেয়েই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সুষম খাদ্য গ্রহণ, অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি এড়িয়ে চলা, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
চিকিৎসা নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০