সর্বশেষ

প্রবাস

মালয়েশিয়ায় ই-কনস্যুলার সেবা চালু করলো বাংলাদেশ হাইকমিশন

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ৭:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত ও সহজে কনস্যুলার সেবা দিতে অটোমেশনভিত্তিক ‘ই-কনস্যুলার’ ব্যবস্থা চালু করেছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। নতুন এই ব্যবস্থায় পাসপোর্ট রেফারেন্স লেটার, পারিবারিক সম্পর্কসংক্রান্ত সনদ ও সিঙ্গাপুর ট্রাভেল লেটারসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নথি যাচাই, আবেদন গ্রহণ ও ফি পরিশোধের প্রক্রিয়াও প্রযুক্তিনির্ভর করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কনস্যুলার সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করতে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। ‘ই-কনস্যুলার’ নামের এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ব্যবস্থায় পাসপোর্টের ফটোকপি থেকে উন্নত প্রযুক্তির ওসিআর (অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন) স্ক্যানারের সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হচ্ছে অনন্য কিউআর কোডযুক্ত নথি। কিউআর কোড স্ক্যান করে সংশ্লিষ্ট নথির তথ্য যাচাই ও ডিজিটাল পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া এই ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে আবেদন গ্রহণ, ফি জমার স্লিপ তৈরি এবং প্রয়োজনীয় নথি ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাচাই করে অনুমোদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও নথি সংরক্ষণের জন্য রয়েছে বিশেষ ড্যাশবোর্ড। এর মাধ্যমে সেবার বিভিন্ন ধাপ তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

যেভাবে ফি পরিশোধ করা যাবে

নতুন ই-কনস্যুলার ব্যবস্থার আওতায় কনস্যুলার সেবার নির্ধারিত ফি পরিশোধ সহজ করতে হাইকমিশনের কাউন্টারে একাধিক পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।

এসব মেশিনে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি টাচ এন গো এবং কিউআর পেমেন্টের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়া যাবে। এতে অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করছে হাইকমিশন।

সেবা নিতে যেসব কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে

কনস্যুলার সেবা নিতে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনার অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন। পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের জন্য পাসপোর্ট, ভিসা কিংবা সংশ্লিষ্ট নথির মূল কপি অথবা পরিষ্কার রঙিন ফটোকপি সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নির্ধারিত কনস্যুলার ফি পিওএস মেশিনের মাধ্যমে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, টাচ এন গো কিংবা কিউআর পেমেন্টে পরিশোধ করতে হবে।

হাইকমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে কম সময়ে বেশি সংখ্যক প্রবাসীকে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে নথি যাচাই ও ফি পরিশোধ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপ সহজ করার মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত, নির্ভুল ও হয়রানিমুক্ত কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

১১৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
প্রবাস নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০