সর্বশেষ

জাতীয়

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের তথ্য চেয়ে ঢাকার ফের চিঠি

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে আবারও কূটনৈতিক পত্র দিয়েছে বাংলাদেশ। সৌদি আরবের পাঠানো বন্দি তালিকায় তাঁদের নাম থাকলেও কী সাজা দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ ছিল না। এ কারণে দুই বাংলাদেশির মামলার বিবরণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়েছে ঢাকা।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে আবারও কূটনৈতিক পত্র দিয়েছে বাংলাদেশ। তাঁদের মামলার বিবরণ, আদালতের রায় এবং বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।

সোমবার জেদ্দায় সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফরিদ বিন সাদ আল সেহেরির সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করেন বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে বৈঠকে এ বিষয়ে সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি সৌদি কর্মকর্তা। পরে একই দিন দুই বাংলাদেশির মামলার বিবরণ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে সৌদি আরবকে আবার কূটনৈতিক পত্র দেয় বাংলাদেশ।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশ করে। পরদিন ১৫ অক্টোবর জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠায়। এরপর গত ১৮ অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছেও ওই কূটনৈতিক পত্র পুনরায় দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার সৌদি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন আবারও দুই বাংলাদেশির মামলার বিবরণ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে চান। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব তথ্য জানানোর অনুরোধ জানিয়ে কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের আগস্টে গ্রেপ্তারের পর যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রথমে নিম্ন আদালত দুই আসামিকে দণ্ড দেন। পরে ১৩ জন বিচারক নিয়ে গঠিত আপিল আদালতের একটি প্যানেল তাঁদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। আদালতের রায় অনুসারে নারী ও পুরুষের জন্য নির্ধারিত পৃথক সেলে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা রায়ের কপি হাতে পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানাতে এবং পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে পারব।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাওয়ার পর বাংলাদেশ বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

এখন জেদ্দার উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা। শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘এই দুই ব্যক্তির নাম ওই তালিকায় রয়েছে কি না, আমরা তা যাচাই করছি।’

১১২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০