সর্বশেষ

সারাদেশ

উচ্চশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান ও গবেষণায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

শরিফুল ইসলাম, গাজীপুর
শরিফুল ইসলাম, গাজীপুর

রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
উচ্চশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং গবেষণার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলন। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেট বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

উচ্চশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার পরিবেশ উন্নয়নে বাজেট বাড়ানোর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. হোসেন আরাবি নূর উপস্থিত ছিলেন।

সমাবর্তনে প্রধান অতিথি গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাঁদের সব সময় কৌতূহলী থাকা, উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বাংলাদেশ ও বৃহত্তর মুসলিম উম্মাহর সেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা গ্র্যাজুয়েটদের সততা বজায় রাখা, আজীবন শেখার মানসিকতা ধারণ করা এবং অর্জিত জ্ঞান সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।

আইইউটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত উৎকর্ষের কেন্দ্রে পরিণত হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্বের অগ্রগতিতে অবদান রাখতে প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে।

গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ডিগ্রি অর্জনের সঙ্গে সমাজের প্রতি দায়িত্বও যুক্ত। সততা, পেশাদারত্ব ও সহমর্মিতার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

ওআইসির মহাসচিব ও আইইউটির চ্যান্সেলর ইসমাইল ওল্ড শেখ আহমেদ তাঁর বার্তায় নৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে আইইউটির ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সমাবর্তনে ওআইসির ১৬টি সদস্যদেশের মোট ৬৫৯ জন গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ১৫৫ জন, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগে ১৪৯ জন, যন্ত্র ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগে ১৪৭ জন, পুরকৌশল ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগে ১২৬ জন, ব্যবসা ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৫৭ জন এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিভাগে ২৫ জন ডিগ্রি অর্জন করেন।

একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সুমাইয়া আহমেদ রানীকে ‘ওআইসি গোল্ড মেডেল’ দেওয়া হয়। এ ছাড়া আশফাক সিরাজ শুভ, মুহাম্মদ সাফায়াত জামিল, খালিদ হাসান আদর, আদিবা জাহীন, ফারহান লবিব ও তাসফিয়া মাহমুদকে ‘আইইউটি গোল্ড মেডেল’ প্রদান করা হয়।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০