বাংলা একাডেমিতে শুরু হলো ‘দোলন ক্রিয়েটিভ ভিশন ২০২৬’র ফটোগ্রাফি কর্মশালা
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ ২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা, পর্যবেক্ষণশক্তি ও শিল্পবোধ বিকাশের লক্ষ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘দোলন ক্রিয়েটিভ ভিশন ২০২৬’। শিশুতোষ পত্রিকা দোলনের আয়োজনে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মোবাইল ফটোগ্রাফিবিষয়ক প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে চিত্রাঙ্কনবিষয়ক কর্মশালা।
শিশু-কিশোরদের প্রচলিত পাঠ্যচর্চার বাইরে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ তৈরি এবং তাদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করেছে শিশুতোষ পত্রিকা দোলন। কর্মসূচির প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি তোলার বিভিন্ন কৌশল শেখানো হয়।
শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন আলোকচিত্রশিল্পী ও মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার অনুপ রায়। তিনি শিক্ষার্থীদের বিষয় নির্বাচন, ফ্রেমিং, কম্পোজিশন এবং আলো-ছায়ার সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন। পাশাপাশি মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে কীভাবে সুন্দর ও অর্থবহ ছবি তোলা যায়, তা হাতে-কলমে শেখান।
প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বহিরাঙ্গন আলোকচিত্র পর্ব। এতে শিক্ষার্থীরা চারপাশের বিভিন্ন দৃশ্য পর্যবেক্ষণ করে ছবি তোলে। এ সময় প্রশিক্ষক তাদের ছবি তোলার কৌশল দেখিয়ে দেন এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে শেখার সুযোগ করে দেন।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন দোলনের সম্পাদক ও প্রকাশক কামাল মুস্তাফা। এ ছাড়া কর্মসূচির সমন্বয়ক সুরাইয়া সিদ্দিকী বৃষ্টি ও বোরহান ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।
দুই দিনব্যাপী আয়োজনের দ্বিতীয় দিন শনিবার অনুষ্ঠিত হবে চিত্রাঙ্কনবিষয়ক কর্মশালা। এতে প্রশিক্ষণ দেবেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ঢাকার চিত্রাঙ্কন ও সৃজন প্রশিক্ষক তানজিমা তাবাচ্ছুম এশা। এ পর্বে শিক্ষার্থীরা ছবি আঁকার বিভিন্ন কৌশল শেখার পাশাপাশি সৃজনশীলভাবে নিজেদের ভাবনা ও কল্পনা প্রকাশের সুযোগ পাবে।
কর্মশালার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকার লালবাগ কেল্লায় আয়োজন করা হবে বহিরাঙ্গন সৃজনশীল অধিবেশন। সেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেরা ছবি তুলবে। পরে তোলা ছবিগুলোকে নমুনা হিসেবে ব্যবহার করে চিত্রকর্ম তৈরি করবে তারা।
আলোকচিত্র ও চিত্রশিল্পের মধ্যে সৃজনশীল সংযোগ স্থাপন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে শিশু-কিশোরদের শেখার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। আয়োজকদের আশা, এ কর্মসূচি শিশু-কিশোরদের শিল্পচর্চায় আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি তাদের সৃজনশীল চিন্তা ও পর্যবেক্ষণশক্তি বিকাশে সহায়ক হবে।
১২১ বার পড়া হয়েছে