সর্বশেষ

সারাদেশ

জয়পুরহাট সীমান্তে ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়কে ৪০ বছর ধরে দুর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট
স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:২০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জয়পুরহাট সদর উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ও কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে একটি কাঁচা সড়কের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। মাত্র দুই কিলোমিটার সড়ক পাকা না হওয়ায় বর্ষাকালে তিন সহস্রাধিক মানুষের যোগাযোগের একমাত্র পথটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয় কৃষি অর্থনীতি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত বিজিবি সদস্যদেরও যাতায়াতে চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা যায়, রামকৃষ্ণপুর থেকে কল্যাণপুর হয়ে পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্তবর্তী লকমা জমিদার বাড়ি পর্যন্ত সড়কটির দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটার। এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুই কিলোমিটার অংশ দীর্ঘদিনেও পাকাকরণ করা হয়নি। একটু বৃষ্টি হলেই এই কাঁচা অংশটি গভীর কাদায় পরিণত হয়। ফলে ওই অঞ্চলের উৎপাদিত আলু, ধানসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বাজারে নিতে না পেরে ব্যাপক আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এই সড়কটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। সীমান্তে কোনো জরুরি পরিস্থিতি বা গোলযোগ দেখা দিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয়। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, রিকশাভ্যান কিংবা পণ্যবাহী কোনো যানবাহনই বর্ষা মৌসুমে এই কর্দমাক্ত পথ দিয়ে চলাচল করতে পারে না। প্রায়ই যাতায়াতের সময় বিকল হয়ে পড়ে এসব যানবাহন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোটের সময় এলে জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। যাতায়াতের বিকল্প কোনো পথ না থাকায় বর্ষা মৌসুমে স্কুল-কলেজগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। দীর্ঘ চার দশক ধরে চলা এই চরম ভোগান্তি নিরসনে বারবার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হলেও কেবল আশ্বাসই জুটেছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জয়পুরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহিম জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একনেকে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেলেই সড়কটির নির্মাণকাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শুরু করা হবে।

১১৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০