সর্বশেষ

সারাদেশ

মাগুরায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমপিও বাণিজ্যের অভিযোগ

শামীম বিন সাত্তার, ঢাকা
শামীম বিন সাত্তার, ঢাকা

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাগুরার ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, চলতি দায়িত্ব) সহীলুদ্দীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও অনিয়মের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির আবেদন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। মোহাম্মদপুর উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছয়জন শিক্ষকের এমপিও আবেদন নির্ধারিত সময়ের পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে খুলনার উপপরিচালকের কাছে পাঠানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদপুর উপজেলার চারটি বিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। তৎকালীন মোহাম্মদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হোসনে মোবারক বদলিজনিত কারণে ৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দায়িত্ব ছাড়ার আগে ওই ছয় শিক্ষকের এমপিও আবেদন ‘ব্যাক’ করে দেন। ওই সময় মাগুরায় কোনো মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন না।

অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তী সময়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সহীলুদ্দীন ইএমআই সেল থেকে পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে ওই আবেদনগুলো নিজের হেফাজতে নেন। এমপিও প্রদানের অনলাইন আবেদনের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি আবেদনগুলো প্রক্রিয়াকরণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল গনি ১৮ আগস্ট ২০২৬ মোহাম্মদপুর উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পরও আবেদনগুলো জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয় এবং পরে তড়িঘড়ি করে খুলনার উপপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়।

যেসব শিক্ষকের আবেদন নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা হলেন—মোহাম্মদপুর উপজেলার বাড়ীখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর আবু হুরাইয়া; বাশো মাছিনাগাড়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) শেখর কুমার দাস ও সহকারী শিক্ষক (বাংলা) বকুল বিশ্বাস; হরেকৃষ্ণপুর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) তরিকুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) সমীর রাহুত; এবং জয়রামপুর সপ্তগ্রাম সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (হিন্দু ধর্ম) মুক্ত কুমার রায়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বকুল বিশ্বাস সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে নিয়োগ পেলেও তাঁকে বাংলা বিষয়ে এমপিও দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। অন্য পাঁচ শিক্ষকের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রেও কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা যাচাই করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নির্ধারিত প্রক্রিয়া ও সময়সীমা উপেক্ষা করে এমপিও আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হলে সরকার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

১৯৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০