সর্বশেষ

সারাদেশ

পাহাড়ের কৃষ্টি, সংস্কৃতি বিকাশে সহযোগিতা চাইলেন সাচিং প্রু

মো. আরিফ, বান্দরবান 
মো. আরিফ, বান্দরবান 

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১:৪০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন জাতিসত্তার নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি সেগুলো দেশ-বিদেশে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পার্বত্যমন্ত্রী সঙ্গে ছিলেন তাঁর একান্ত সচিব ও উপসচিব মোহাম্মদ রাশেদুল হক। সৌজন্য সাক্ষাতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপিও উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়ে দুই মন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়। এ অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিসত্তার নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ ইতিহাস, বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি, লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্য দেশের মানুষের সামনে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, বান্দরবানে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন জাতিসত্তার নিজস্ব আচার-অনুষ্ঠান, পোশাক, রীতিনীতি ও লোকসংস্কৃতি রয়েছে। এসব বৈচিত্র্যকে সম্মিলিতভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ বা ‘রেইনবো নেশন’ গঠনের আহ্বানের কথাও উল্লেখ করেন পার্বত্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সব জাতিসত্তার মানুষের নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয়ের প্রতি সম্মান রেখে বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন।

সাচিং প্রু আরও বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আত্মিক সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় পার্বত্যমন্ত্রী আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে আয়োজিত প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০