সর্বশেষ

জাতীয়

আসামিদের নাশকতার আশঙ্কা, ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তা জোরদারের তাগিদ

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন কিছু আসামির গতিবিধি সন্দেহজনক বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যেকোনো ধরনের নাশকতা বা ‘স্যাবোটাজ’ এড়াতে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের কাছে গোপন তথ্য রয়েছে যে, কিছু আসামি যেকোনো সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারে। তাদের গতিবিধি ও তৎপরতা বেশ সন্দেহজনক।

আসছে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন গুমের বিচার কার্যক্রম প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শিগগিরই ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ নামে একটি যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন হতে যাচ্ছে। এই আইনের ফলে দেশে গুমের বিচার নতুন মাত্রা পাবে। তবে গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা বেশ শক্তিশালী হওয়ায় প্রসিকিউশন নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সজাগ রয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকেও সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে এবং সরকারের কাছে সার্বিক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

নজরদারিতে ট্রাইব্যুনাল, অপতৎপরতা হবে আত্মঘাতী সাম্প্রতিক সময়ে ‘স্যাবোটাজ’ শব্দটি বারবার উঠে আসার কারণ জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর স্পষ্ট করে বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরের প্রতিটি ঘটনা কড়া নজরদারিতে রয়েছে। কেউ যদি কোনো অপতৎপরতা চালানোর দুঃসাহস দেখায়, তবে তা তাদের জন্যই আত্মঘাতী হবে।

৫৫টি পরিবারের জবানবন্দি গ্রহণ উল্লেখ্য, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। ব্রিফিংয়ের সময় গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই অপরাধীদের তৎপরতা বেড়েছে বলে উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি সতর্ক করে বলেন, "অপরাধীকে বন্ধু মনে করার কোনো কারণ নেই, তারা যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে। তাই তদন্ত কার্যক্রমে যাতে কেউ কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।"

১০৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন