সর্বশেষ

সারাদেশ

ভূরুঙ্গামারীতে লুকিয়ে রাখা ৪২ বস্তা সার উদ্ধার, জরিমানা লাখ টাকা

আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম
আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার রাতে যৌথ অভিযানে তাদের বাড়ির ধানের গোলা ও খড়ির মাচা থেকে ৪২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। কৃষকদের সুবিধার্থে প্রশাসনের এমন কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক তারেক এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল জব্বার এবং সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর গ্রামের বেলাল মিয়া ও মানিক উদ্দিনের বাড়িতে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিকালে তাদের বসতবাড়ির গোয়াল ঘর, খড়ির মাচা এবং ধানের গোলার ভেতর লুকিয়ে রাখা ৪২টি বস্তায় মোট ২১৫০ কেজি রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ১৫০০ কেজি ইউরিয়া এবং ৬৫০ কেজি ডিএপি সার রয়েছে।

লাইসেন্স ছাড়াই বেআইনিভাবে এই সার মজুদ করার অপরাধে সার ব্যবস্থাপনা আইন-২০০৬ অনুযায়ী অভিযুক্ত বেলাল ও মানিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা নগদ আদায় করা হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, আমন মৌসুমে সারের কোনো ঘাটতি না থাকলেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে এই চক্র সক্রিয় ছিল।

সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানিয়েছেন, স্থানীয় কৃষকেরা যাতে ন্যায্যমূল্যে সার পান এবং কেউ যাতে অবৈধ ফায়দা লুটতে না পারে, সেজন্য পুলিশের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। এদিকে স্থানীয় চাষিদের দাবি, সারের কালোবাজারি রুখতে শুধু জরিমানা নয়, প্রয়োজনে কারাদণ্ডের মতো কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন