ঠাকুরগাঁও সুগার মিলে ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১:২১ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও সেতাবগঞ্জ অঞ্চলের চাষিদের মুখে হাসি ফুটিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রম। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবার তিন জেলায় একযোগে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে মিল এলাকায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে চিনি কল কর্তৃপক্ষ।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পঞ্চগড় ও সেতাবগঞ্জ সুগারমিল ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পর এই যৌথ অঞ্চলে নতুন মৌসুমের আখ রোপণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামছুজ্জামান সুরুজ রাজশাহী সুগারমিল থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁওয়ের চিলারং এলাকার আখচাষি ফয়েজ উদ্দিন, পঞ্চগড় সুগার মিল গেট এলাকার হাসিব এবং সেতাবগঞ্জ সুগার মিল এলাকার সুলতানপুরের মোঃ মিলনের জমিতে একযোগে আখ রোপণ করা হয়। ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ন কবীরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফআইসি’র টেকনিক্যাল সার্ভিস প্রধান কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক।
চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, আখের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা নতুন করে আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। চলতি মৌসুমে মিল জোন এলাকায় ৭ হাজার একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
এবার মিল গেটে ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুমে প্রতি কুইন্টাল আখের দাম ৬৫১ টাকা এবং প্রতি মণ আখের দাম ২৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর জানান, মিল জোন এলাকার ৫৭টি কেন্দ্রের ৯৬টি ইউনিটে একযোগে আখ রোপণ কাজ পুরোদমে চলছে।
১১৮ বার পড়া হয়েছে