সর্বশেষ

সারাদেশ

৩ বছরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যার হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ
স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ

সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনে আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। একই সাথে ইউনিয়ন পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে বিশেষ 'হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার' চালুর কথাও জানিয়েছেন তিনি। সোমবার মানিকগঞ্জে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিতকরণ সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, নতুনভাবে সাজানো এই উপজেলা হাসপাতালগুলোতে নারীদের জন্য ২০টি এবং শিশুদের জন্য ২০টি আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া কিডনি রোগীদের সুবিধার্থে প্রতিটি হাসপাতালে ১০টি করে ডায়ালাইসিস শয্যার ব্যবস্থা রাখা হবে। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে তিন বছরের মধ্যে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ এমবিবিএস চিকিৎসক, নার্স ও মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অতীত ইতিহাস স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিটি উপজেলায় ৩১ শয্যার হাসপাতাল চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সূচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া সেগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করতে কাজ করছে। প্রতিটি ইউনিয়নের সেরা কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোকে 'হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার' হিসেবে রূপান্তর করা হবে।

বিগত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম মেনে কোনো টিকাদান কর্মসূচি চালানো হয়নি। ইউনিসেফ দ্রুত টিকা কেনার তাগিদ দিলেও পূর্ববর্তী সরকার অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় টিকা কেনার চেষ্টা করায় তা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে সফলভাবে টিকা সংগ্রহ করে দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছে।

দেশে চিকিৎসকের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশের বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। তা সত্ত্বেও সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় মাঠ পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে দেশের অভ্যন্তরীণ শত্রু ও দুর্নীতি মোকাবিলা করে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সমাজ থেকে মাদক ও অনলাইন জুয়ার মতো ব্যাধি দূর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির এবং মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মইনুল ইসলাম খান শান্তসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১১৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন