সর্বশেষ

সারাদেশ

কলাপাড়ায় ট্যাক্সের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রশাসক ও সচিবের বিরুদ্ধে

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্সের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বর্তমান ইউপি প্রশাসক ও সচিবের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৯টি ওয়ার্ড থেকে উত্তোলিত করের একটি বড় অংশ সরকারি তহবিলে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশরা যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার দায়িত্ব পান উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদুল ইসলাম। এরপর চলতি বছরের ইউপি ট্যাক্স বা কর আদায়ের জন্য একটি তৃতীয় পক্ষকে কমিশন ভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে কর আদায় এবং ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ডে তা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও শুভঙ্করের ফাঁকি ধরা পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও গ্রাম পুলিশদের দাবি, ৯টি ওয়ার্ড থেকে মোট ৯ লাখ টাকার বেশি ট্যাক্স আদায় করা হয়েছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে মাত্র সাড়ে ৫ লাখ টাকা। বাকি প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার কোনো হদিস মিলছে না। এই টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি প্রশাসক ও সচিব একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রাম পুলিশ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ট্যাক্সের টাকা থেকেই মূলত তাদের বেতন দেওয়া হয়। অথচ সংগৃহীত টাকা সরকারি কোষাগারে পুরোটা জমা না হওয়ায় তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ট্যাক্স ফাঁকি ও আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. হাসনাত টিটু জানান, তিনি আদায়ের রসিদ অনুযায়ী যে পরিমাণ টাকা পেয়েছেন, তা-ই কোষাগারে জমা দিয়েছেন। তবে রসিদ ও হিসাব বুঝে নেওয়ার সময় ইউপি সদস্যদের কেন জানানো হয়নি, সে বিষয়ে তিনি কোনো স্পষ্ট উত্তর দেননি।

এদিকে ইউপি প্রশাসক মো. নাহিদুল ইসলাম দাবি করেন, তৃতীয় পক্ষ পরিষদ সচিবকে যে হিসাব দিয়েছে, তার পরিমাণ সাড়ে ৫ লাখ টাকার মতো ছিল। প্রকৃত আদায়কৃত টাকার পরিমাণ কেবল ওই তৃতীয় পক্ষ ও মাঠকর্মীরা বলতে পারবেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

এই বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। সংগৃহীত টাকার বাকি অংশ কোথায় গেল তা খুঁজে বের করতে দ্রুতই ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন