সর্বশেষ

জাতীয়

ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে দ্রুত নীতিমালা করবে সরকার

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ৬:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন সড়কে এসব রিকশা চলতে পারবে, চলাচলের সীমা, যানবাহনের কারিগরি মান এবং চালকদের প্রশিক্ষণ—এসব বিষয় নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

ঢাকার বড় ও প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকার বিভিন্ন প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল বেড়েছে। এতে মানুষের যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা হলেও একই সঙ্গে যানজটসহ নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং যানবাহনগুলোর কারিগরি নিরাপত্তা ও মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সরকারের প্রস্তাবিত নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন কোন এলাকায় এবং কতটুকু চলাচল করতে পারবে, তা নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি এসব যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতার বিষয়টিও নীতিমালার আওতায় আনা হবে। চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পাবে।

ডা. জাহেদ উর রহমান আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত নীতিমালা কার্যকর করা গেলে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য খাতের অগ্রগতির বিষয়ও তুলে ধরা হয়। উপদেষ্টা জানান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর জর্জ ইনস্টিটিউট স্টেডিয়ামে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণিতে ১৪ জন মৎস্য পেশাজীবী, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে পদক দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কৃষির অন্যান্য খাতের মতো মৎস্য খাতেও দেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম শুরুর তথ্য জানানো হয়। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে এ পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। এ কর্মসূচিতে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দরিদ্র পরিবারের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা দ্রুত বাজারে ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে শুধু উপকারভোগী পরিবার নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। বাজারে চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি নতুন ব্যবসা, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধীরে ধীরে দেশের আরও পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবার দিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে প্রতিবছর এর পরিধি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা।

১৭০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন