সড়কপথে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, রহমতপুর–হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জ–ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ ১১:২৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
দ্বীপজেলা ভোলাকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে বরিশালের রহমতপুর–হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জ হয়ে ভোলা পর্যন্ত নতুন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত এ রুট অনুমোদন করা হয়।
ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তিনটি বিকল্প রুটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে এসব প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনার পর বরিশালের রহমতপুর–হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জ–ভোলা রুটটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত রুটের যেসব অংশে বর্তমানে সড়ক রয়েছে, সেগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশস্ত করা হবে। পাশাপাশি যেখানে নতুন সংযোগ প্রয়োজন, সেখানে নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে।
এই রুটে তিনটি ছোট সেতু নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলার সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে ভোলার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগও বাড়বে বলে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রকল্পটি দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নদীবেষ্টিত ভোলার মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। প্রস্তাবিত মহাসড়ক নির্মিত হলে সড়কপথে রাজধানী ঢাকা ও বিভাগীয় শহর বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগ আরও সহজ হওয়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমে আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১২৯ বার পড়া হয়েছে