রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল: ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দের জোয়ার, ঘরে ঘরে উৎসব!
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৩১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বিএনপির হেভিওয়েট নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করায় তাঁর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে দলমত নির্বিশেষে সীমান্তঘেঁষা এই জেলার সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে চরম উচ্ছ্বাস। অলিগলি থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় বইছে উৎসবের আমেজ, চলছে মিষ্টি বিতরণ।
গত বৃহস্পতিবার বিএনপির শীর্ষ ফোরামের বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এই খবর ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই পুরো জেলায় আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শহরের কালীবাড়িতে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাসভবনে ভিড় জমাতে শুরু করেন হাজারো উৎফুল্ল জনতা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুল একজন পরিচ্ছন্ন, ধৈর্যশীল ও বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে অধ্যাপক, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য এবং সরকারের মন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত ১৫ বছরে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলকে সুসংগঠিত রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্টজনেরা মনে করছেন, তাঁর এই অর্জন অবহেলিত উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আসনে তিনি অধিষ্ঠিত হলে স্থানীয় বিমানবন্দর, মেডিকেল কলেজ ও ইপিজেড বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে। স্থানীয় চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধি ডা. এবিএম খায়রুল কবীরও এটিকে পুরো উত্তরবঙ্গের জন্য এক গৌরবময় মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন।
পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্তে আনন্দিত। ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মির্জা ফখরুলের বাবা সাবেক মন্ত্রী মির্জা রুহুল আমীন এবং চাচা সাবেক স্পিকার মির্জা গোলাম হাফিজও দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন ও সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী দলের হাইকমান্ড ও তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
১১৮ বার পড়া হয়েছে