সর্বশেষ

সারাদেশ

মাগুরায় একই রাতে বেবী প্লাজায় ৬ দোকানে চুরি

রূপক আইচ, মাগুরা
রূপক আইচ, মাগুরা

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাগুরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে সদর থানার বিপরীতে বেবী প্লাজার ছয়টি দোকানে ভোররাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা দোকানের শাটারের নিচ দিয়ে বাঁশ ঢুকিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে ক্যাশ কাউন্টারে থাকা টাকা নিয়ে গেছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এতে অন্তত পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। একই সময়ে সদর উপজেলার বড়খড়ি গ্রামের ড্রিম মাশরুম সেন্টারেও চুরির ঘটনা ঘটেছে।

বেবী প্লাজার ব্যবসায়ীরা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল বুধবার রাত আটটার দিকে তাঁরা দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে দোকান খুলতে এসে ছয়টি দোকানে চুরির বিষয়টি দেখতে পান তাঁরা।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, শাটারের নিচ দিয়ে বাঁশ ঢুকিয়ে বিশেষ কৌশলে চোরেরা দোকানের ভেতরে প্রবেশ করে। পরে প্রতিটি দোকানের ক্যাশ কাউন্টারে রাখা টাকা নিয়ে যায়। তাঁদের দাবি, ছয়টি দোকান মিলিয়ে অন্তত পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

চুরির সময় লোডশেডিং থাকায় সিসিটিভি ক্যামেরায় কোনো দৃশ্য ধারণ হয়নি বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বেবী প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতা সিদ্দিক খান বলেন, মার্কেটের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় নির্মাণকাজ চলা এলাকায় পাশের একটি গাছ বেয়ে চোরেরা ওপরে উঠে থাকতে পারে। সেখানে মাদক সেবনের কিছু আলামতও দেখা গেছে বলে তিনি জানান।

ব্যবসায়ীদের ধারণা, ভোরে নাইটগার্ড বাড়িতে চলে যাওয়ার পর আগে থেকেই আশপাশে অবস্থান নেওয়া চোরের দল মার্কেটে ঢুকে চুরি করে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মাগুরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরফান আহমেদ। তিনি বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ বেবী প্লাজা পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গতকাল বুধবার ভোররাতে মাগুরা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে শিমুল স্টোর নামের একটি পাইকারি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই দোকানের টিন কেটে চোরেরা ভেতরে ঢুকেছিল বলে জানা গেছে।

এদিকে একই রাতে সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের বড়খড়ি গ্রামের ড্রিম মাশরুম সেন্টারেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক বাবুল হোসেন জানান, এডজাস্টার ফ্যানের মোটরসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি চুরি হয়েছে।

বাবুল হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠানটির আশপাশে নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের আড্ডা এবং অপরিচিত লোকজনের অস্বাভাবিক চলাচল তাঁদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হলে মাশরুম চাষ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলেও তিনি জানান।

ড্রিম মাশরুম সেন্টারে মাশরুম উৎপাদনের পাশাপাশি মাশরুম থেকে বিভিন্ন ধরনের ভেষজ ওষুধ তৈরি ও বিপণনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে মাশরুম চাষ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরিতে কাজ করছে।

৩২৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন