ভুয়া ডিগ্রির অভিযোগে বিএমডিসির নজরে অর্থোপেডিক সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
এমবিবিএস ডিগ্রির স্থায়ী নিবন্ধন পাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই ‘এমএস (অর্থো)’সহ একাধিক উচ্চতর চিকিৎসা যোগ্যতা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। এসব ডিগ্রির স্বীকৃতি ও নিবন্ধন নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত ১৫ জুলাই তাকে ব্যাখ্যা দিতে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)। কাউন্সিলের দাবি, একাধিকবার যোগাযোগ ও সময় দেওয়ার পরও তিনি শুনানিতে হাজির হননি। এ ঘটনায় বিভাগীয় তদন্তসহ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এমবিবিএস ডিগ্রির স্থায়ী নিবন্ধন পাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই ‘এমএস (অর্থো)’সহ একাধিক উচ্চতর চিকিৎসা ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে। তার ব্যবহৃত পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিগুলোর স্বীকৃতি ও নিবন্ধন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নথিতেও।
বিষয়টি নিয়ে ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুনকে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে যোগাযোগ করা হলেও তিনি বিএমডিসির শুনানিতে হাজির হননি বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. লিয়াকত হোসেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তসহ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে বিএমডিসি।
বিএমডিসির ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখের এক চিঠিতে অভিযুক্ত ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের ব্যবহৃত ‘এমএস (অর্থো)’, ‘এফএসিএস (আমেরিকা)’, ‘মেম্বার অব আমেরিকান কলেজ অব সার্জনস’ এবং ‘ফেলো হাঁটু ও আর্থ্রোস্কোপি (তাইওয়ান)’সহ বিভিন্ন অতিরিক্ত যোগ্যতার বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। চিঠিতে এসব ডিগ্রির মধ্যে বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন কোনো ডিগ্রি ব্যবহার করা হলে তা আইনবিরোধী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএমডিসির চিঠিতে বলা হয়, ডা. মো. আবদুরাহ আল মামুন নামের পাশে ‘এমএস (অর্থো), এফএসিএস (আমেরিকা), এমএসিএস (মেম্বার অব আমেরিকান কলেজ অব সার্জন), ফেলো হাঁটু এবং আর্থ্রোস্কোপি (তাইওয়ান)’ উল্লেখ করে চিকিৎসা কার্য পরিচালনা করছেন—এমন তথ্য কাউন্সিলের নজরে এসেছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন ডিগ্রি ব্যবহার রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের প্রতারণার সামিল এবং এ ধরনের ডিগ্রি ব্যবহার বিএমডিসি আইনের পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
চিঠিতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ধারা ১৩ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বা বাংলাদেশের বাইরে কোনো মেডিকেল প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত কোনো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা বাংলাদেশে ব্যবহার করতে হলে তা কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে।
একই চিঠিতে আইনের ধারা ২৯-এর কথাও উল্লেখ করেছে বিএমডিসি। ওই ধারায় বলা হয়েছে, নিবন্ধনকৃত কোনো মেডিকেল চিকিৎসক এমন কোনো নাম, পদবি, বিবরণ বা প্রতীক ব্যবহার বা প্রকাশ করতে পারবেন না, যাতে তার অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে বলে মনে হয়, যদি না সেটি স্বীকৃত মেডিকেল চিকিৎসা-শিক্ষা যোগ্যতা হয়।
বিএমডিসির চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ধারা ২৯-এর উপধারা (২) লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। অপরাধ অব্যাহত থাকলে প্রতিবার পুনরাবৃত্তির জন্য অতিরিক্ত অর্থদণ্ডের বিধানও রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএমডিসির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনকে তার বিএমডিসি-স্বীকৃত নয় এমন ডিগ্রি ব্যবহারের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে বিএমডিসি থেকে প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করে লিখিত জবাব এবং সংশ্লিষ্ট ডিগ্রির পক্ষে সব কাগজপত্র জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠি পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্যও তাকে বলা হয়েছিল।
তবে বিএমডিসির দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি জবাব দেননি এবং পরবর্তী সময়েও কাউন্সিলের ডাকেও সাড়া দেননি।
বিএমডিসির নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের এমবিবিএস ডিগ্রির নিবন্ধন নম্বর A-129947, যার নিবন্ধন ২০২৪ সালে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা গেছে।
অন্যদিকে, তার নামে ব্যবহৃত এমএস (অর্থোপেডিকস) ডিগ্রির কোনো বিএমডিসি নিবন্ধন পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে ডা. মো. আবদুল্লাহ আল মামুন দাবি করেছেন, ২০২৪ সালেই তার এমএস ডিগ্রির কাগজপত্র জমা দেওয়া আছে। কিন্তু এতো দিনেও কেন রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি, সেবিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এ ঘটনার জন্য বিএমডিসির ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। তবে তিনি এমএস ডিগ্রির যে কাগজপত্র বিএমডিসিতে জমা দিয়েছেন, তার কপি চাওয়া হলেও দিতে অস্বীকৃতি জানান।
ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন বলে তার পরিচিতি ও প্রচারসামগ্রীতে উল্লেখ রয়েছে। তিনি গত বছর ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছেন বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তার এমবিবিএস নিবন্ধন যদি ২০২৪ সালে হয়ে থাকে, তাহলে এর পর অল্প সময়ের মধ্যে তার নামে ‘এমএস (অর্থো)’ ডিগ্রি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েই মূল প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে আবদুল্লাহ আল মামুন দাবি করেছেন, ২০১৪ সালে এমবিবিএস সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন পেয়েছেন ২০২৪ সালে।
ড্যাব নেতা ডা. আলাউদ্দীন আল মামুন বলেন, “কোনোভাবেই পাঁচ বছরের আগে এমএস ডিগ্রি অর্জন করা সম্ভব নয়।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর এত অল্প সময়ে এমএস ডিগ্রি অর্জনের দাবি বিস্ময়কর।
তবে তিনি বলেন, অর্থোপেডিকসের ক্ষেত্রে ডি-অর্থো (D.Ortho) একটি আলাদা বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা, যার মেয়াদ তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু কেউ যদি ‘এমএস (অর্থো)’ ডিগ্রি ব্যবহার করেন, তাহলে সেটির মেয়াদ, প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান এবং স্বীকৃতির বিষয়টি আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এদিকে, অভিযুক্ত ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের দাবি, ২০১৪ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পরই তিনি এমএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তবে এতো পরে (২০২৪) কেন রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমা দিয়েছেন, এর কোনো সদুত্তর মেলেনি।
বিএমডিসির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. লিয়াকত হোসেন বলেন, অভিযোগ জানার পর গত ১৫ জুলাই ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনকে অফিসিয়ালি চিঠি দেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবেও একাধিকবার ফোন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বারবার সময় দিয়েও তিনি আসেননি। আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে এই ধরনের ডিগ্রি ব্যবহার বিএমডিসি আইনের পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তসহ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিএমডিসির দায়িত্বশীল একটি সূত্রের দাবি, ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে দাপ্তরিকভাবে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং উল্টো হুমকি দেন। এমনকি একজন মন্ত্রীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন বলে সূত্রটির দাবি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ছাত্র জীবন থেকেই ড্যাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সংগত কারণেই বিএনপির মন্ত্রী ও নেতাদের সঙ্গে তার পেশাগত সম্পর্ক রয়েছে।
ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন নিজেকে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রচারসামগ্রী ও চিকিৎসাসংক্রান্ত প্ল্যাটফর্মে ‘এমবিবিএস, এমএস (অর্থো), এফএসিএস, সিএমই, ফেলো হাঁটু ও আর্থ্রোস্কোপি’সহ একাধিক যোগ্যতা ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া রাজধানীর কদমতলী থানার শনির আখড়া-রায়েরবাগ এলাকার ইসলামিয়া হাসপাতাল বাংলাদেশে তিনি কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে তার পরিচিতিতে হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কনসালটেন্ট হিসেবে উল্লেখ থাকলেও হাসপাতালটির অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রের সঙ্গে যাচাই করে ওই পদে তার কর্মরত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিএমডিসি থেকেও এই তথ্য যাচাইকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটিতে এক বছর মেয়াদী ইন্টার্নশিপ ছাড়া কনসালটেন্ট হিসেবে পরিচয় প্রদানের বিষয়টি অসত্য।
এবিষয়ে বিএমডিসি কর্তৃপক্ষ হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগাযোগ করে নিশ্চত হয়েছে ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন সেখানে কখনই কর্মরত ছিলেন না। তবে ইন্টার্ন শিপ করেছেন।
বাংলাদেশে চিকিৎসা পেশায় কোনো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা ফেলোশিপ ব্যবহার করতে হলে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিএমডিসির ২০২৬ সালের চিঠিতেও এ বিষয়টি স্পষ্ট করে আইনের ধারা ১৩ ও ২৯ উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএমইউর ডেন্টাল অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ বলেন, একজন চিকিৎসকের নামের পাশে ব্যবহৃত প্রতিটি উচ্চতর ডিগ্রি রোগীর কাছে তার পেশাগত দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় বহন করে। ফলে কোনো ডিগ্রির স্বীকৃতি, প্রশিক্ষণের মেয়াদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিএমডিসির নিবন্ধন নিয়ে অস্পষ্টতা থাকলে তা দ্রুত তদন্ত করে পরিষ্কার করা জরুরি।
ভুয়া ডিগ্রি ও অতিরিক্ত যোগ্যতা ব্যবহারকারী ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সবই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার এমএস (অর্থ) এর যাবতীয় কাগজপত্র বিএমডিসিতে জমা দেওয়া আছে। যদিও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এছাড়া বিএমডিসির নোটিশের পরও তিনি হাজির না হওয়ার বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের সরকার পতনের পর বিএমডিসিতে ‘মব’ সৃষ্টি করেছিলেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেই পরিস্থিতিতে তিনি সেখানে গেলেইতো আর যুক্ত থাকা হয় না। তবে তার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য প্রমাণ বিএমডিসি কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে একটি সূত্রের দাবি, ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন বিএমডিসিতে দুটি থিসিস জমা দিয়েছেন। তবে অভিযোগের ভিত্তিতেও সেগুলোও কর্তৃপক্ষ যাচাই করে দেখছেন।
বাংলাদেশে চিকিৎসা পেশায় কোনো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা ফেলোশিপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার স্বীকৃতি ও নিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ডা. আবদুল্লাহ আল মামুনের ব্যবহৃত উচ্চতর ডিগ্রি ও পেশাগত যোগ্যতাগুলোর স্বীকৃতি, অর্জনের সময়কাল এবং বিএমডিসি নিবন্ধনের বিষয়টি এখন কাউন্সিলের তদন্তের আওতায় রয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং তার বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা জানা যাবে।
১৪২ বার পড়া হয়েছে