সর্বশেষ

সারাদেশ

চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে প্রবাসী ব্যবসায়ীর আবাসিক ভবনের ফটকে গুলি

হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম
হাসান ফেরদৌস, চট্টগ্রাম

বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি আবাসিক ভবনের প্রধান ফটকে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগে দুই তরুণ এ হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ভবনের বাসিন্দা ও আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভবনের গেটে গুলির চিহ্ন দেখাচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মী

হামজারবাগ এলাকার ‘রুনা টাওয়ার’ নামের আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ভবনটির মালিক মোহাম্মদ ইউসুফ। তিনি চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কারাবন্দী নেতা আজিজুর রহমানের শ্বশুর।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে ভবনমালিকের ছেলে শওকতের হোয়াটসঅ্যাপে একটি বিদেশি নম্বর থেকে ভয়েস বার্তা পাঠানো হয়। ওই বার্তায় পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাদের কাছে রয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে এক ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের দাবি করা হয়। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।

পরিবারের ভাষ্য, রাতে বিদ্যুৎ না থাকার সময় প্যান্ট ও শার্ট পরা দুই তরুণ ভবনের সামনে আসে। তারা নিরাপত্তাকর্মীকে গেটের ভেতরে গিয়ে ফটক বন্ধ করে দিতে বলে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধান ফটক লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি ছোড়ে তারা। পরে হেঁটে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

গুলির শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দা ও পাশের দোকানদারেরা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসেন। তবে এর আগেই হামলাকারীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে পাঁচলাইশ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগে গত জুন মাসে চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় একটি ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন ভারতে পালানোর সময় যশোর থেকে গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি রিমান্ডে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রুনা টাওয়ারের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নগরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন