তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমান ফের কারাগারে
রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬ ২:৫০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে আবারও কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করার পর নির্ধারিত সময়ে আত্মসমর্পণ না করায় শনিবার তাঁকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বহুল আলোচিত কুমিল্লার তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম জানান, হাফিজুর রহমান যাতে আত্মগোপন বা দেশত্যাগ করতে না পারেন এবং আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের নির্দেশনা কার্যকর করা যায়, সে জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর শনিবার বিকেলে হাফিজুর রহমানকে কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। পরে কুমিল্লার ৫ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক তৈয়ব উদ্দিন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গত ২ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান হাফিজুর রহমান। এরপর ৪ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
হাফিজুরের জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলে ৬ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ৯ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে আত্মসমর্পণ না করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাঁকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসে টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। ওই রাতেই সেনানিবাসের পাওয়ারহাউসের কাছে একটি ঝোপ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তের একপর্যায়ে গত ২১ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে হাফিজুর রহমানকে প্রথমবার গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
১১৭ বার পড়া হয়েছে