সর্বশেষ

সারাদেশ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফোনে মিলছে মাদকের 'হোম ডেলিভারি'

আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া

বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সক্রিয় চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে অবৈধ মাদকদ্রব্য। বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে না গিয়ে শুধু একটি ফোনেই মিলছে মাদকের 'হোম ডেলিভারি'। মূলত তরুণ সমাজকে টার্গেট করে গড়ে ওঠা এই অবৈধ চক্রের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটছে।

ভারত সীমান্তবর্তী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী, আদাবাড়িয়া, প্রাগপুর ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বিস্তূর্ণ এলাকা এখন মাদক পাচারের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা নদীর ভাঙনে সীমানা ওলটপালট হওয়ায় নদীপথ ব্যবহার করে অবাধে দেশে ঢুকছে বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, এই অঞ্চলে প্রতি মাসে অন্তত পাঁচ কোটি টাকার মাদকের অবৈধ লেনদেন হয়ে থাকে।

চোরাকারবারিদের মূল লক্ষ্য এখন ১৭ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণ ও যুবসমাজ। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে তারা আকারে ছোট ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও বিভিন্ন নেশাজাতীয় ট্যাবলেট বহনে বেশি আগ্রহী। বিজিবির দেওয়া তথ্যমতে, সীমান্ত এলাকা থেকে নামমাত্র মূল্যে সংগ্রহ করা এসব ট্যাবলেট দেশের বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। মাদক পৌঁছানোর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ও মোটরসাইকেল আরোহী ডেলিভারিম্যান।

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম সাত মাসে প্রায় পৌনে ১৮ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, ফেনসিডিল, হেরোইন, এলএসডি ও নেশাজাতীয় ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে পুলিশ বাদী হয়ে শতাধিক মাদক মামলা দায়ের করেছে। তবে মাদক চক্রের শিকড় উপড়ে ফেলতে পুলিশ, বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বিত যৌথ অভিযানের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

১৩৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন