সর্বশেষ

জাতীয়

নতুন রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন, আলোচনায় একাধিক নাম

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬ ৪:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা, একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
বঙ্গভবন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায় সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে সরকার ও বিএনপির উচ্চপর্যায়ে একজন গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বেছে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় দলের চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। তাঁরা হলেন—মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন এবং দলের অভ্যন্তরে গ্রহণযোগ্যতার কারণে তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে তিনি নিজে এ দায়িত্ব নিতে আগ্রহী কি না, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বিএনপির অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা। অতীতে তিনি শিক্ষকতা ও মন্ত্রিসভার দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

ড. আব্দুল মঈন খানও বিএনপির প্রবীণ নেতৃত্বের অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে রাজনীতিতে আসা এই নেতাকে দল ও দলের বাইরে একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বয়সজনিত কারণে তিনিও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভুগছেন।

অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে সম্ভাব্য তালিকায় রেখেছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির নেতাদের বাইরে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন জ্যেষ্ঠ আমলার নামও বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে। যদিও তাঁদের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে চূড়ান্ত মনোনয়ন নির্ধারণে সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই মূল বিবেচ্য হবে।

রাজনীতি বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেওয়ার পরও দেশের বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামোয় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও ভূমিকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন যিনি, তাঁর নির্বাচন রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

১০৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন