বিশ্বকাপ থেকে ফিফার রেকর্ড ১৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পথে
রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬ ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
চলতি ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এটি টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নির্ধারিত ১১ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। অতিরিক্ত আয়ের বড় অংশ এসেছে হসপিটালিটি, টিকিট বিক্রি এবং সেকেন্ডারি মার্কেটে টিকিট পুনঃবিক্রয় থেকে।
চলতি ক্লাব বিশ্বকাপ ফিফার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় করা টুর্নামেন্টগুলোর একটি হতে যাচ্ছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর উদ্দেশে জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতা থেকে সংস্থাটির মোট আয় প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফিফা ১১ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। তবে সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সেই লক্ষ্যমাত্রা অনেকটাই অতিক্রম করেছে সংস্থাটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই অতিরিক্ত আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল হসপিটালিটি সেবা এবং টিকিট বিক্রি। বিশেষ করে সেকেন্ডারি মার্কেটে টিকিট পুনঃবিক্রয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এসেছে। এই ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষের কাছ থেকেই ১৫ শতাংশ করে ফি আদায় করে ফিফা।
বিশ্লেষকদের ধারণা, রেকর্ড পরিমাণ এই আয়ের সুফল ভবিষ্যতে সদস্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর অর্থায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিতর্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের পরও শক্তিশালী আর্থিক ফলাফল ফিফা নেতৃত্বের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে পারে।
আগামী মার্চে ফিফা সভাপতির পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইতোমধ্যে ২০০টির বেশি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থনের আশ্বাস পেয়েছেন। অতিরিক্ত তহবিল বণ্টনের সম্ভাবনাও সদস্য দেশগুলোর অবস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এদিকে ভবিষ্যতে আবারও যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা বাড়ছে। ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের বিড এখনো উন্মুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী।
এ ছাড়া ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফিফার আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
১৪৩ বার পড়া হয়েছে