কাশিমপুর কারাগার থেকে কয়েদি পালানোর ঘটনায় ৭ কারারক্ষী বরখাস্ত
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬ ৭:৩৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে সাজাপ্রাপ্ত এক নারী কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাত কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পলাতক বন্দিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে সাজাপ্রাপ্ত নারী কয়েদি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাতজন কারারক্ষীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মেট্রন লায়লা আঞ্জুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা আক্তার।
সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্তে দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি উঠে আসায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কারা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাশিমপুর পার্ট-৩ (মহিলা) কারাগারে প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে সাজাপ্রাপ্ত বন্দি মোছা. রিম্পা (২১) কারাগারের অফিস ভবনের পাশের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।
পরে কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বন্দির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
পলাতক রিম্পা মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার রায়পুর গ্রামের মো. হাসান হাবিবের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ছিলেন।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন জানান, পলাতক বন্দিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে কীভাবে একজন বন্দি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি দ্রুত পলাতক কয়েদিকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
১২২ বার পড়া হয়েছে