বাউফলে গরম ভাতের হাঁড়ি ঢেলে ভাবিকে দগ্ধ করার অভিযোগ ননদের বিরুদ্ধে
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬ ১০:২৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক গৃহবধূর শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের হাঁড়ি ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ননদের বিরুদ্ধে। এতে ওই গৃহবধূর শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর প্রায় ২টার দিকে বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ গৃহবধূর নাম শারমিন বেগম। তিনি ওই গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তাঁর স্বামীর ছোট বোন।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন। এ সময় পারিবারিক পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে ননদ সালমা বেগমের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সালমা বেগম ফুটন্ত গরম ভাতের হাঁড়ি শারমিন বেগমের শরীরে ঢেলে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই শারমিন বেগমের ঘাড়, বুক, পিঠ, হাত ও পায়ের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়। স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গরম ভাত ও মাড় আঠালো হওয়ায় তা শরীরের বিভিন্ন স্থানে লেগে থাকে। এতে শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
শারমিন বেগমের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, তাঁর বোন সালমা বেগম হঠাৎ এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দিলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১১৮ বার পড়া হয়েছে