নড়াইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার, লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬ ১১:২৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
নড়াইলের কালিয়ায় একটি বাড়িতে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। গত তিন দিন ধরে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য এবং লুণ্ঠিত সোনা কেনার অপরাধে আরও একজনসহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে নড়াগাতি থানার পাখিমারা গ্রামের সালাহ উদ্দীন খাঁনের বাড়িতে একদল সশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়। ডাকাত দল সালাহ উদ্দীনের ঘরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর আলমারির চাবি ছিনিয়ে নিয়ে নগদ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় গৃহকর্তা ও তার ছেলে আশিকুর রহমানকে বেঁধে রেখে যায় তারা।
এ ঘটনায় সালাহ উদ্দীন খাঁন বাদী হয়ে নড়াগাতি থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২ জুলাই থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও খুলনার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলো খুলনার তেরখাদা উপজেলার নদীয়ারচর গ্রামের জাকির মোল্লা ওরফে জেকের আলী ও দীন ইসলাম মোল্লা, আইচগাতি গ্রামের সরজিৎ কর, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জোকারচর গ্রামের পারভেজ মৃধা ওরফে দারোগা, শুক্তগ্রামের মফিজ খাঁ এবং নড়াগাতি থানার কলাবাড়িয়া গ্রামের জাকির হোসেন তালুকদার ওরফে কাটাপ্পা। এদের মধ্যে সরজিৎ কর ডাকাতির সোনা ক্রয়ের অপরাধে গ্রেফতার হয়েছেন।
নড়াইলের পুলিশ সফল মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার জানান, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতির ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা বিভিন্ন সময়ে ছদ্মনাম ব্যবহার করে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করত। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও চুরির মামলা রয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
১১৯ বার পড়া হয়েছে