সর্বশেষ

সারাদেশ

পঞ্চগড়ে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলার উদ্বোধন, ফলের চারা বিতরণ

কামরুজ্জামান টুটুল, পঞ্চগড়
কামরুজ্জামান টুটুল, পঞ্চগড়

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬ ১১:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পঞ্চগড়ে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা। 'করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস'—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্থানীয় চাষিদের উৎসাহিত করতে ও দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ছড়িয়ে দিতে এই বিশেষ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও কৃষকদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
জাতীয় ফলমেলার উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ মাঠে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন। পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং সদর উপজেলা কৃষি অফিস যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করেছে। উদ্বোধনের পর অতিথিরা মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রদর্শিত বৈচিত্র্যময় ফল ও কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

মেলা উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ও অতিথিরা প্রতি নাগরিককে প্রতিদিন অন্তত ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। তারা জানান, দেশীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বছর আপেল, কমলা, আঙুর ও মাল্টাসহ বিভিন্ন বিদেশি ফল আমদানিতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। দেশীয় ফলের উৎপাদন বাড়িয়ে নিজেদের চাহিদা পূরণ করতে পারলে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব। সে লক্ষ্যে প্রতিটি বাড়িতে অন্তত একটি করে ফলদ বৃক্ষ রোপণের আহ্বান জানানো হয়।

সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অর্জুন চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা, অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (উদ্যান) সুবোধ চন্দ্র রায় এবং সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী। এবারের মেলায় মোট ১৩টি স্টল স্থান পেয়েছে, যেখানে দেশীয় নানা জাতের ফল ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রদর্শন করা হচ্ছে। সমাপনী পর্বে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের ফলদ চারা তুলে দেওয়া হয়।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন