গোপালগঞ্জে দেশীয় মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬ ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের (প্রথম সংশোধিত) সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় বক্তারা দেশীয় মাছ ও শামুকের সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন।
গোপালগঞ্জে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের (প্রথম সংশোধিত) সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা শাখার যুগ্ম সচিব মো. হেমায়েত হোসেন।
মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. খালেদ কনকের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম, অর্জন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. খালেদুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মো. কামরুল হাসান, খুলনা বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক এবং গোপালগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম।
এ ছাড়া ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১০ জেলার ৫২ উপজেলার মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের সুফলভোগী মৎস্যচাষী, মৎস্যজীবী, ঝিনুক ও মুক্তা চাষী, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুকের সংরক্ষণ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জলজ সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন এবং জনগণের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রকল্পের ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
তাঁরা ভবিষ্যতেও দেশীয় জলজ প্রাণীর সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
১১৭ বার পড়া হয়েছে