সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালি সংকট: কে আগে পিছু হটবে, যুক্তরাষ্ট্র নাকি ইরান?

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার , ১৪ মে, ২০২৬ ৩:০৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিশ্ব অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপ্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ তৈরি হয়েছে। কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের মতোই এখন হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। দু’পক্ষই চাপে থাকলেও কোনটি আগে নরম হবে, তা স্পষ্ট নয়।

সিএনএনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান কার্যত প্রণালিটি নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা ঘোষণা করেছে, যেকোনো জাহাজ তাদের জলসীমা অতিক্রম করলে ট্রানজিট ফি দিতে হবে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে। ওয়াশিংটনের কৌশল হলো, যদি বিশ্বের জাহাজগুলো প্রণালিটি ব্যবহার করতে না পারে, তাহলে ইরানও ব্যবহার করতে পারবে না।

উভয় পক্ষের চাপের মুখে পরিস্থিতি এখন স্থবির। তাত্ক্ষণিক সমাধানের পথ নেই, তবে কয়েকটি সম্ভাব্য বিকল্প রয়েছে।

১. স্থিতাবস্থা মেনে নেওয়া:
উভয় পক্ষ অনড় থাকায় হরমুজের বর্তমান পরিস্থিতি বহাল থাকতে পারে। ইরান সম্ভবত দেশের অর্থনীতি সংকটে যাওয়া সত্ত্বেও এই অবস্থানে অনড় থাকবে। তেহরান মার্কিন প্রভাবমুক্ত মধ্যপ্রাচ্য ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান বজায় রাখতে চায়। কিন্তু হরমুজ বন্ধ থাকলে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়বে, যা যুক্তরাষ্ট্রকেও প্রভাবিত করবে।

২. ছাড় দেওয়ার মানসিকতা:
কূটনীতির সফলতার জন্য আপস অপরিহার্য। তবে বর্তমানে কোনো পক্ষই চুক্তির জন্য প্রস্তুত নয়। ইরান প্রণালির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানে, এবং এর মধ্য দিয়ে নৌচলাচলের ওপর সাময়িক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই নীতিতে ছাড় দেওয়া অর্থনৈতিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে, যদিও তারা এ কথা স্বীকার করছে না।

৩. সামরিক পদক্ষেপ:
যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে হরমুজে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সামরিক অভিযান চালাতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত উভয় পক্ষের জন্য ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। ইরানও কঠোরভাবে প্রতিরক্ষা করবে, যার মধ্যে মাইন, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং পাহাড়ি অঞ্চলে হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন বাস্তবতার সূচনা:
হরমুজ প্রণালি সম্ভবত দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ বা সীমিত অবস্থায় থাকবে। ইতিমধ্যেই উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প পূর্ব-পশ্চিম অবকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা ত্বরান্বিত করেছে। সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হতে চলেছে।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন