সর্বশেষ

সারাদেশ

বান্দরবান মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচারণায় সাচিং প্রু জেরি

মো.আরিফ, বান্দরবান 
মো.আরিফ, বান্দরবান 

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদ থেকে শুরু করে শহরের অলিগলি-সবখানেই এখন নির্বাচনী সরগরম পরিবেশ।

ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সরাসরি মতবিনিময় ও কুশল বিনিময় করছেন তিনি। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় নেতাদের দাবি, প্রচারণায় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক সাড়া মিলছে।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সাচিং প্রু জেরি বলেন, পাহাড়ের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা শান্তি, সম্প্রীতি এবং প্রকৃত উন্নয়ন প্রত্যাশা করে। তার মতে, গত কয়েক বছরে বান্দরবানের মানুষ অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়েছে। নির্বাচিত হলে সবার আগে সেই বৈষম্য দূর করার উদ্যোগ নেবেন তিনি। পাশাপাশি বান্দরবানকে আধুনিক ও স্মার্ট পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

প্রচারণায় তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন পাহাড়ি অঞ্চলের বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায়। একই সঙ্গে দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও যোগাযোগব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। তার সরাসরি উপস্থিতি মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান, যিনি সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন। তাদের ভাষ্য, জেরি সাহেবের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে এবং তিনি বান্দরবানবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন।

এদিকে এই আসনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)-এর নির্বাচনে অংশ না নেওয়া এবং কয়েকটি দলের প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর কারণে বিএনপি প্রার্থী সাচিং প্রু জেরি তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সংযোগও তাকে নির্বাচনী দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে পারলে ধানের শীষের জয় নিশ্চিত। এখন নজর ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিকে-পাহাড়ের জনগণ শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।

২৫৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন