সর্বশেষ

রাজনীতি

জকসু নির্বাচনের শেষ সময়ে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ লাইন, সময় বাড়ানো হচ্ছে না

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬ ৯:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের সারি দীর্ঘ হতে দেখা গেছে। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাই ভোট দিতে পেরেছে কি না- এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ভাষা শহীদ রফিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থীকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে কলাভবনের সামনেও। দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই অনেক শিক্ষার্থী ভোট দিতে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন।

তবে ভোটের সময় বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক জুলফিকার মাহমুদ। তিনি জানান, 'ভোটগ্রহণ বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। সময় বাড়ানোর বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। নির্ধারিত সময়ের পর আর কাউকে ভোট দিতে দেওয়া হবে না।'

সকালে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনের ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র আবাসিক হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল সংসদের নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তীব্র শীত উপেক্ষা করে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে আসেন। সকালবেলায় ভোটার উপস্থিতি ভালো থাকলেও বেলা ১১টার পর কিছুটা কমে যায়। তবে সাড়ে ১২টার পর আবারও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও উৎসাহ বাড়তে দেখা যায়। দুপুরের দিকে প্রায় সব ভোটকেন্দ্রেই শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী অংকিতা সাহা বলেন, '৩০ ডিসেম্বর ভোট হওয়ার কথা থাকলেও সেদিন সকালে ভোট স্থগিত হয়। তাই আজ সকালে না এসে পরিস্থিতি দেখে দুপুরে ভোট দিতে এসেছি। কিন্তু এসে দেখি লম্বা লাইন, প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে থাকলেও খুব একটা এগোতে পারছি না।'

এই নির্বাচনে মোট ১৬ হাজার ৬৪৫ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। জকসুর ২১টি পদে জয়ী হতে চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোস্তফা হাসান জানান, ভোটগ্রহণ শেষে ছয়টি ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হবে এবং তা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভোট পড়ার হার সম্পর্কে তিনি বলেন, 'এখনই সঠিক শতাংশ বলা যাচ্ছে না। একসাথে পরে জানানো হবে।'

৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন