সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

অস্ট্রেলিয়ায় আবারও ক্ষমতায় লেবার পার্টি, অ্যালবানিজের শপথ

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫ ১:৩৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দ্বিতীয় মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।

রাজধানী ক্যানবেরায় আজ মঙ্গলবার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টিনের কাছে তিনি এবং তাঁর নতুন মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে ৩ মে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি নিরঙ্কুশ জয় নিশ্চিত করে।

বিশ্লেষকদের মতে, অ্যালবানিজের দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার হবে জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবমুখী মোকাবিলা, এবং আদিবাসী জনগণের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার।

এদিকে, রাজনৈতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে প্রধান বিরোধী দল লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে। দীর্ঘদিনের নেতা পিটার ডাটনের স্থলে দলটির প্রথম নারী প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সুসান লি। তাঁর নেতৃত্বে লিবারেল পার্টি আরও আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রূপে পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মন্ত্রী এড হিউসিক এবার নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলবিরোধী সোচ্চার অবস্থানের কারণেই তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এদিকে ডানপন্থী হিসেবে পরিচিত লেবার পার্টির তিন প্রভাবশালী নেতা—টনি বার্ক, জেসন ক্লেয়ার ও ক্রিস বুয়েন্স—তাঁদের পদ রক্ষা করেছেন। এতে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ মতভেদ প্রকাশ পেতে পারে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য সুখবর হলো—টনি বার্ক আবারও অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাঁর আগের মেয়াদে বাংলাদেশিদের দাবির প্রেক্ষিতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র দিল্লি থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন তিনি।

সিডনিপ্রবাসী বাংলাদেশি ও অভিবাসন ইস্যুতে সক্রিয় সৈয়দ আশরাফ আহমেদ বলেন, “টনি বার্ক অভিবাসী কমিউনিটির ভাষা বোঝেন। তাঁর ফিরে আসা বাংলাদেশিদের জন্য আশাব্যঞ্জক।”

৩ মে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ভোটার। অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকা হাজারো নাগরিক ৮৩টি দেশে ভোট দেন, যা এবারের নির্বাচনে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে।

সুসান লির নেতৃত্বে লিবারেল পার্টির নতুন যাত্রা এবং অ্যালবানিজ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদ—দুই মেরুর এই রাজনৈতিক বাস্তবতা আগামী দিনে অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক কাঠামো কতটা পাল্টাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বাংলাদেশি অভিবাসী কমিউনিটিও এই পরিবর্তনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং আশাবাদী যে তাদের জীবনযাত্রায় এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

১৭৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন