সিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
সিরাজগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুস সবুরকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার সয়দাবাদে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জেলা জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে সয়দাবাদ এলাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের গাড়ীবহরকে স্বাগত জানাতে জামায়াত নেতাকর্মীরা জড়ো হন। লংমার্চ শেষ হওয়ার পর নেতাকর্মীরা যখন নিজ নিজ বাড়ি ফিরছিলেন, ঠিক তখনই সয়দাবাদ ইউনিয়নের সারটিয়া গ্রামের হাসান, পারভেজ, আলামিনসহ বেশ কয়েকজন বিএনপি কর্মী জামায়াত নেতা সবুরের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়।
সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিক সরকারের নেতৃত্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এই বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। তারা জামায়াত নেতা আব্দুস সবুরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হাত ও পায়ের কবজিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। এ সময় নুরনবী নামের আরেক জামায়াত নেতাকেও মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
some_placeholder
অন্যদিকে, জামায়াতের উত্থাপিত সব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম সরকার। পাল্টা অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপির এক কর্মীর ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতারা প্রথমে তার ওপর চড়াও হন। পরে ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন ওই জামায়াত নেতাকে মারধর করেছে। কুপিয়ে জখম করার বিষয়টি সম্পূর্ণ সাজানো ও মিথ্যা।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাজ করছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১১২ বার পড়া হয়েছে