বরগুনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১শ' মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি বন্ধের দাবি
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বরগুনার বেতাগীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও ধূমপানজাত পণ্যের বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বেতাগী উপজেলা নাগরিক ফোরাম।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহ. সাদ্দাম হোসেনের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপি দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন বেতাগী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর উপজেলা সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টু, বেতাগী উপজেলা নাগরিক ফোরামের সভাপতি লায়ন মো. শামীম সিকদার এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মহসীন খান।
ইউএনও মুহ. সাদ্দাম হোসেন স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ৭ ধারার ৬(খ) অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে যেকোনো ধরনের তামাকজাত পণ্য বিক্রি ও সরবরাহ নিষিদ্ধ এবং এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। একই সঙ্গে অধ্যাদেশের ৫ ধারায় পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য অর্থদণ্ডসহ শাস্তির বিধান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
নাগরিক ফোরামের অভিযোগ, আইন থাকলেও বেতাগী পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত এলাকার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধান ফটকের আশপাশে প্রকাশ্যে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
স্মারকলিপিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে থাকা তামাক বিক্রির দোকান দ্রুত অপসারণ বা অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের অর্থদণ্ড ও শাস্তি নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মাধ্যমে আশপাশের দোকানিদের সতর্ক করা, তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ও সংলগ্ন এলাকায় ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ লেখা স্থায়ী সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।
১৪৭ বার পড়া হয়েছে