সর্বশেষ

সারাদেশ

থানচিতে প্রধান শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণের অভিযোগ

মো.আরিফ, বান্দরবান 
মো.আরিফ, বান্দরবান 

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাইন্দারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাই অং প্রু মারমাকে (৬১) অস্ত্রধারী একটি দল অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয়ের পাশে একটি চায়ের দোকান থেকে পরিচয় নিশ্চিত করার পর তাঁকে অস্ত্রের মুখে নৌকায় তুলে সাঙ্গু নদীপথে নিয়ে যাওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
শিক্ষক চাই অং প্রু মারমা

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। তবে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার জানিয়েছেন, পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে সশস্ত্র একটি দলের বিদ্যালয়ে হামলা ও প্রধান শিক্ষককে নিয়ে যাওয়ার খবর পায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, দুপুর ২টার দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় কয়েকজন অস্ত্রধারী ব্যক্তি বিদ্যালয়ে আসে।

বিদ্যালয়ে গিয়ে তাঁরা প্রধান শিক্ষক চাই অং প্রু মারমাকে খুঁজতে থাকেন। সেখানে তাঁকে না পেয়ে বিদ্যালয়ের পাশের একটি ছোট চায়ের দোকানে গিয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেন। পরে অস্ত্রের মুখে তাঁকে নৌকায় তুলে অজ্ঞাত স্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উ নু থোয়াই মারমা বলেন, অস্ত্রধারীরা প্রধান শিক্ষককে নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে মুঠোফোনও নিয়ে যায়। তাঁর কাছ থেকেও একটি মুঠোফোন নেওয়া হয়েছে। কোন সশস্ত্র দল কেন প্রধান শিক্ষককে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।

পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, অপহরণের প্রায় এক ঘণ্টা পর চাই অং প্রু মারমা তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেছেন। এরপর তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রধান শিক্ষককে উদ্ধারে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

থানচি থানার ওসি কানন সরকার বলেন, সশস্ত্র একটি দল নাইদারীপাড়া বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে নৌকায় তুলে সাঙ্গু নদীপথে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা অন্য শিক্ষকদের মুঠোফোনও নিয়ে গেছে। খবর পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছেন।

প্রধান শিক্ষককে কেন অপহরণ করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, জায়গাজমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করে দেখছে।

১২২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন