সর্বশেষ

সারাদেশ

রোয়াংছড়ির পিআইও মিলটন দস্তিদার কারাগারে, চাকরি থেকে বরখাস্ত

মো.আরিফ, বান্দরবান
মো.আরিফ, বান্দরবান

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকায় বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিলটন দস্তিদারকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে রোয়াংছড়ি উপজেলায় টিআর, কাবিখা, কাব রোয়াংছড়ি উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলটন দস্তিদার বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন। দুদকের একটি মামলায় গ্রিটাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।

বান্দরবান সদর ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলটন দস্তিদার বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন। দুদকের একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিএসআর পার্ট-১-এর ৭৩ নম্বর বিধির নোট (২) অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করার বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী মিলটন দস্তিদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে রোয়াংছড়ি উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, টেস্ট রিলিফ (টিআর), কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা), কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) এবং অন্যান্য প্রকল্পে কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই বরাদ্দের অর্থ ও খাদ্যশস্য ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের অনুমোদনের ভিত্তিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রোয়াংছড়ি উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়। এসব প্রকল্পে নগদ অর্থের পাশাপাশি চাল ও গম বরাদ্দ দেওয়া হয়।

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় ধাপে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-কাবিটা) কর্মসূচিতে রোয়াংছড়ি উপজেলায় নগদ অর্থের বিপরীতে ২৫টি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৪৬ দশমিক ১৬৯৯ মেট্রিক টন চালের বিপরীতে ছয়টি এবং সমপরিমাণ গমের বিপরীতে পাঁচটি প্রকল্প নেওয়া হয়।

অন্যদিকে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির টিআর অংশে নগদ অর্থের বিপরীতে আরও একাধিক প্রকল্প নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট নথিতে নগদ অর্থের পাশাপাশি চাল ও গম বরাদ্দের তথ্যও রয়েছে।

তবে বিভিন্ন ধাপের বরাদ্দের হিসাব ও প্রকল্পের সংখ্যা নিয়ে প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। ফলে মোট বরাদ্দের পরিমাণ, প্রকল্পভিত্তিক ব্যয় এবং বাস্তবে কত কাজ হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ রয়েছে, বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ও খাদ্যশস্যের বরাদ্দ থাকলেও কয়েকটি প্রকল্পে কাজের মান ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নথিপত্র, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির প্রতিবেদন, সরেজমিন পরিদর্শন এবং নিরীক্ষার তথ্য প্রয়োজন।

মিলটন দস্তিদারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। দুদকের মামলার তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন