ময়মনসিংহে সাথী হত্যা মামলায় হৃদয়ের মৃত্যুদণ্ড
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ময়মনসিংহে সাথী আক্তার (৩৮) হত্যা মামলায় হৃদয় মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামসুদ্দিন এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি হৃদয় মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। জরিমানার অর্থ তাঁর সম্পত্তি থেকে আদায় করে নিহত সাথী আক্তারের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হৃদয় মিয়া ময়মনসিংহ নগরের জুবলী কোয়ার্টার এলাকার জয়নাল মিয়ার ছেলে। নিহত সাথী আক্তার একই এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৯ মে মোবাইল ফোনে কল দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিকভাবে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর পরদিন ৩০ মে রাত আনুমানিক দুইটার দিকে হৃদয় মিয়া আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকার একটি ভাড়া বাসায় প্রবেশ করেন। সেখানে ছুরি দিয়ে সাথী আক্তারকে আঘাত করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
আহত অবস্থায় সাথীকে ফেলে হৃদয় চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলেই সাথী আক্তারের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সাথীর বোন শিউলি আক্তার বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় বাবুল ও হৃদয় মিয়ার নাম উল্লেখ করে আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
মামলাটিতে আদালত মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মঙ্গলবার হৃদয় মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মোবাইল ফোনে কল দেওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে পরদিন সাথী আক্তারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। আদালতের এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট।
১১৫ বার পড়া হয়েছে