ধানমন্ডিতে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতি, অস্ত্র ও লুণ্ঠিত টাকাসহ গ্রেপ্তার ৮
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:২৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাজধানীর ধানমন্ডিতে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় একটি চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি রিভলবার ও চারটি গুলি উদ্ধার করা হয়। লুণ্ঠিত টাকার মধ্যে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রাজধানীর ধানমন্ডি থানা এলাকায় অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ। পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারে অভিযান চলছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন তানভীর আবেদীন ওরফে জুই (৪১), মো. মজিবুর রহমান (৬০), মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকির (৬০), মো. সোলায়মান মৃধা (৫৫), মোহাম্মদ কবির হোসেন (৫০), আবুল কালাম আজাদ (৫০), মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিন (৪০) এবং সজল চৌধুরী (৩১)।
ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ধানমন্ডির ১২/এ সড়কে ডিঙ্গী রেস্টুরেন্টের সামনে পাকা সড়কে মো. খোরশেদ আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল।
টাকা নিয়ে পালানোর সময় ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তানভীর আবেদীন ও মজিবুর রহমানকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে চারটি গুলিসহ একটি দেশীয় তৈরি রিভলবার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মজিবুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের আরও পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মো. সোলায়মান মৃধা, মোহাম্মদ কবির হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিন এবং সজল চৌধুরী।
অভিযানে জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিনের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ টাকা এবং সজল চৌধুরীর কাছ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করে জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয়েছে। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত বাকি টাকা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৩৬ বার পড়া হয়েছে