সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

নেপালে টানেল থেকে ৯ দিন পর দুই শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৬:৫৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নেপালের ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে দুই শ্রমিককে নয় দিন পর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসের পর বরফ, পাথর ও কাদার স্রোতে টানেলের ভেতরে তারা আটকা পড়েছিলেন।

নেপালের ত্রিশূলী নদীর উজানে হিমবাহ ধসের নয় দিন পর একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার উদ্ধারকর্মীরা তাঁদের উদ্ধার করেন।

উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন আপার ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের মেকানিক্যাল ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ এবং মেকানিক্যাল সুপারভাইজার কবির মহার্জন। নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী বিরাজ ভক্ত শ্রেষ্ঠের কার্যালয় এক বিবৃতিতে তাঁদের উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে।

নেপালি কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, কবির মহার্জনকে মাটির একটি গর্ত থেকে উদ্ধার করে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় লোকজন উল্লাস করেন। অন্যদিকে সঞ্জয় সাহকে একজন উদ্ধারকর্মীর পিঠে করে টানেলের বাইরে নিয়ে আসা হয়। তাঁর শরীর ও মুখ কাদায় ঢাকা ছিল।

উদ্ধারের পর সেনাবাহিনীর চিকিৎসকেরা টানেলের কাছে স্থাপিত একটি তাঁবুতে সঞ্জয় সাহের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তাঁকে অক্সিজেন মাস্ক পরানো অবস্থায় দেখা যায়। এক সেনা কর্মকর্তা বলেন, সঞ্জয় সাহ মেকানিক্যাল কন্ট্রোল রুমে কাজ করতেন।

জ্বালানিমন্ত্রীর এক সহকারী জানিয়েছেন, কবির মহার্জন হাত-পা নাড়াতে পারছেন না। তবে সঞ্জয় সাহের আঘাত গুরুতর নয়। দুজনকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়ার কথা রয়েছে।

কবির মহার্জনের ভাই আমির মহার্জন বলেন, তাঁরা এখনো সরকারি কোনো সূত্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খবর পাননি। তবে তাঁকে হাসপাতালে যেতে বলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে ভাইকে উদ্ধারের খবর শুনে তাঁদের পুরো পরিবার আনন্দিত বলে জানান তিনি।

গত ২৬ আগস্ট ত্রিশূলী নদীর উজানে হিমবাহ ধসে বরফ, পাথর ও কাদার স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। উদ্ধারকর্মীদের হিসাবে, এতে অন্তত ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে প্রায় ৯০০ মানুষ আটকা পড়েছিলেন।

ঘটনায় নেপালে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী শহর ও গ্রামগুলোরও ঘরবাড়ি, সড়ক ও স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে ২১ জন নিহত এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন