কক্সবাজারে অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: পার্বত্যমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৮:০৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাষ্ট্রের কল্যাণ ও পাহাড়ের মানুষের স্বার্থে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তিনি বলেছেন, শুধু ঢাকায় বসে নির্দেশনা দেওয়ার বদলে মাঠে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চান।
কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী।
গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়সংক্রান্ত সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় কক্সবাজারকে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সাচিং প্রু জেরী বলেন, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তার স্বার্থে মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। জাতীয় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট ও কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। এ বিষয়ে টেকসই সমাধানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজারের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার কথা জানান পার্বত্যমন্ত্রী।
সভায় সীমান্ত অপরাধ ও চোরাচালান বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান জোরদার, অপহরণ ও মানব পাচার প্রতিরোধ এবং সারের পাচার বন্ধ ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
কক্সবাজারের পর্যটন এলাকাগুলোর যানজট কমাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা ও রিসোর্ট নির্মাণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ টহল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সঞ্চালনায় সভায় স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পল্লী বিদ্যুৎ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশ নেন।
১৩০ বার পড়া হয়েছে