সর্বশেষ

সারাদেশ

জামালপুরে গৃহবধূ ইশরাত হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ফজলে এলাহী মাকাম, জামালপুর
ফজলে এলাহী মাকাম, জামালপুর

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১০:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জামালপুর শহরে ইশরাত জাহান (৩৪) নামের এক গৃহবধূ হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি কাউসার আহমেদ খানকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআইয়ের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কাউসারের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।

জামালপুর শহরের পাঁচরাস্তা মোড় এলাকার কলাবাগান গলিতে একটি ভাড়া বাসা থেকে গত শনিবার ইশরাত জাহানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই বাসায় কাউসার আহমেদ খান ও তাঁর দুই সন্তানের সঙ্গে থাকতেন বলে তদন্তে জানতে পেরেছে পিবিআই।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে শহরের বাগেরহাটা এলাকায় পিবিআই জামালপুর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।

পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ইশরাতের মা মুক্তা বেগম জামালপুর সদর থানায় কাউসার আহমেদ খানসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তভার নেয় পিবিআই।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্যের বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, ২০১৪ সালে শাওন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে ইশরাতের বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। ২০২১ সালে শাওনের মৃত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে জামালপুর শহরে বসবাস করছিলেন ইশরাত।

প্রায় তিন বছর আগে কাউসারের মনোহারি দোকানে কেনাকাটার সূত্রে ইশরাতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পিবিআইয়ের দাবি, একপর্যায়ে ইশরাতের কাছে থাকা একটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে কাউসারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অর্থ নেওয়া হয়। এ কারণে কাউসার তাঁর সঞ্চয়ের পাশাপাশি জমি ও পরিবারের স্বর্ণালংকার বিক্রি করে অর্থ দিয়েছেন বলেও তদন্তে জানা গেছে।

পিবিআই আরও জানায়, অর্থ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হওয়ার পর সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। ঘটনার দিন ইশরাত কাউসারকে তাঁর ভাড়া বাসায় ডেকে নেন। সেখানে অর্থ চাওয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইশরাত কাউসারের স্ত্রীকে ফোন করে তাঁদের সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেন বলে পিবিআইয়ের তদন্তে বলা হয়েছে।

এরপর দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে কাউসার ইশরাতের গলা চেপে ধরেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে কাউসার ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কাউসারের অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার বিকেলে জামালপুর শহরের বাগেরহাটা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন