সর্বশেষ

সারাদেশ

আইনি ও বিচারিক সংস্কারে পাশে থাকতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৪৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশে আইনি ও বিচারিক সংস্কার, সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই আশ্বাস দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, পুলিশি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সাংবিধানিক সংস্কার, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা, পুলিশের সামগ্রিক সামর্থ্য বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধ এবং মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে নিবিড় আলোচনা হয়।

ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের আগ্রহ দেখান।

বৈঠকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় ইউএনডিপির নেওয়া নানা উদ্যোগের প্রশংসা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নতুন কোনো স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ না করে বিদ্যমান ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় আধুনিকায়নের পক্ষে মত দেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশের পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংস্থাটির চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কুৎসা ও গুজব প্রতিরোধে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার কথা জানান রড্রিক্স। এই প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সদ্য পাস হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া প্রস্তাবিত 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬' এবং 'গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬'-এর খসড়া ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের অতীতে গুম হওয়ার বেদনাকাতর অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিংবা গুমের ঘটনা ঘটেনি। সবশেষে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের উদার ও ধর্মীয় সহনশীলতার প্রকৃত ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার জন্য ইউএনডিপির প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১২৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন