দুই দিন ধরে নিখোঁজ ইবি শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ ৭:২৮ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা দুই দিন ধরে নিখোঁজ। মঙ্গলবার খুলনায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। সর্বশেষ তাঁকে খুলনার দৌলতপুর এলাকায় দেখা গেছে বলে জানিয়েছে পরিবার।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সৌভিক সাহা দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি কুষ্টিয়ার রাজারহাটপুর গ্রামে। তাঁর নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার, সহপাঠী ও পরিচিতজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
পরিবার ও সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে খুলনায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সৌভিক। খুলনায় পৌঁছে কাজ শেষ করে বিকেল চারটার দিকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান তিনি। পরে রাত আটটার দিকে ট্রেনে করে বাড়ি ফেরার কথা বলে আত্মীয়ের বাসা থেকে বের হন।
তবে রাত নয়টার দিকে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে সৌভিক জানান, ওই রাতে ফেরার মতো কোনো ট্রেন না থাকায় তাঁর বাড়ি ফিরতে এক দিন দেরি হবে। এরপর তাঁর সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের আর যোগাযোগ হয়নি। সর্বশেষ খুলনার দৌলতপুর এলাকায় তাঁকে দেখা গেছে বলে জানা গেছে।
সৌভিকের সহপাঠী মনির বলেন, তাঁরাও শুরুতে বিষয়টি বিস্তারিত জানতেন না। পরে সৌভিকের বাবা ক্যাম্পাসে এসে বিষয়টি জানান। এরপর তাঁরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা সৌভিককে সর্বশেষ যে এলাকায় দেখা গেছে, সেই এলাকার থানায় জিডি করার পরামর্শ দেন।
মনির বলেন, এরপর সৌভিকের বাবা খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
সৌভিকের মা বলেন, মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে ছেলের সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ কথা হয়। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সৌভিক শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। খুলনায় যাওয়ার কথা তাঁকে বলেননি। তবে তাঁর বাবা সকাল ১০টার দিকে ফোন করে জানতে পারেন, সৌভিক খুলনায় যাচ্ছেন।
সৌভিকের মা বলেন, ‘কিছুদিন আগেই আমার একটি মেয়ে মারা গেছে, আর এখন ছেলেও এমন করল। সে কোথায়, কীভাবে আছে, কিছুই জানি না।’
সৌভিকের পরিবার তাঁর সন্ধান পেতে সবার সহযোগিতা চেয়েছে। তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য পেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
১০৭ বার পড়া হয়েছে