সর্বশেষ

সারাদেশ

নানা কর্মসূচিতে বাকৃবিতে পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’

আওলাদ হোসেন রুবেল, ময়মনসিংহ
আওলাদ হোসেন রুবেল, ময়মনসিংহ

বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদানসহ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এসব কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। এর আগে গত ৪ আগস্ট জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের মাধ্যমে উপাচার্যের বিশেষ বাণী প্রচারের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা ঘটে। মূল দিনে সকালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে শিশু-কিশোরদের জন্য একটি আকর্ষণীয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন সংলগ্ন করিডোর থেকে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে এসে শেষ হয়, যেখানে পরবর্তী সময়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। এছাড়া ডিন পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. সামছুল আলম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পরিবারগুলোর সদস্যরা উপস্থিত হয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন। শহীদ সাইফুল ইসলামের পিতা মো. তৈয়ব আলী, শহীদ হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আখি এবং শহীদ আমিনুল ইসলামের স্ত্রী তানজিনা আক্তার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছাত্রসংগঠনগুলোর পক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। অন্যদিকে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁিয়া বীর শহীদদের বীরত্বগাথা স্মরণ করে এক বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে শহীদ পরিবারগুলোকে সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

১০৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন