সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার সমুদ্রসৈকতে ড্রোন বিস্ফোরণ, নিহত ৭

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ ৫:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দক্ষিণ রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলের একটি জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকতে ড্রোন বিস্ফোরণে তিন শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে মস্কো, যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি কিয়েভ।
সমুদ্রসৈকত

দক্ষিণ রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলের আরখিপো-ওসিপোভকা গ্রামের একটি জনাকীর্ণ সমুদ্রসৈকতে সোমবার স্থানীয় সময় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাশিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত সাতজনের মধ্যে তিনজন শিশু। আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন, যাদের মধ্যে ১৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি যাচাই করা ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ড্রোন পাহাড়ের ঢালের দিক থেকে দ্রুত নেমে এসে সৈকতে আঘাত হানে। বিস্ফোরণের সময় সৈকত ও সমুদ্রে বিপুলসংখ্যক পর্যটক অবস্থান করছিলেন।

ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কনদ্রাতিয়েভ দাবি করেছেন, ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উভয় পক্ষই বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ড্রোনটির প্রকৃত লক্ষ্য কী ছিল, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ইউক্রেন-সমর্থিত কয়েকটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের দাবি, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের প্রভাবে ড্রোনটির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়ে সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে, রুশ গণমাধ্যমের বরাতে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের আগে মেশিনগানের মতো গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি ভূপাতিত করার চেষ্টা করেছিল।

আরখিপো-ওসিপোভকা কৃষ্ণসাগর উপকূলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। উষ্ণ আবহাওয়া, দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত এবং উন্নত পর্যটন সুবিধার কারণে এটি দেশটির ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে পরিচিত। আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের অভিযোগ, বিস্ফোরণের আগে কোনো সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়নি। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, প্রথমে গুলির শব্দ এবং পরে বড় ধরনের বিস্ফোরণ শুনে তাঁরা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।

গত এক বছরে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিয়েভের দাবি, এসব হামলায় মূলত সামরিক অবকাঠামো, জ্বালানি স্থাপনা ও রসদ সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করা হয়। তবে বিভিন্ন ঘটনায় বেসামরিক হতাহতের খবরও সামনে এসেছে।

এদিকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে দুই দেশের হামলা–পাল্টা হামলায় উভয় পক্ষেই বহু বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়েও ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

১৩০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন