সর্বশেষ

সারাদেশ

গোপালগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে বেধড়ক মারধর: শিক্ষক আটক

বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ
বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ

শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬ ৯:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ক্যালকুলেটর চুরির অপবাদে সাত বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মুকসুদপুর থানা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লাকে নির্মমভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। চুরির একটি তুচ্ছ অভিযোগে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। আহত ওই শিক্ষার্থীকে চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম এনামুল মোল্লা। তিনি ওই মাদ্রাসারই একজন শিক্ষক এবং একই উপজেলার কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে। এই বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ তাকে ইতোমধ্যে আটক করেছে। শুক্রবার রাতে মাদ্রাসার ভেতরেই এই দুঃখজনক ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে একটি ক্যালকুলেটর নিখোঁজ হওয়ার পর শিশু আহম্মদের ওপর চুরির সন্দেহ করা হয়। কোনো প্রকার নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়াই শিক্ষক এনামুল মোল্লা ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করেন। ভুক্তভোগী শিশুর পিতা শাওন মোল্যা জানান, তার ছেলে দীর্ঘ এক বছর ধরে সেখানে পড়াশোনা করছে এবং কখনো তার বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ ওঠেনি। মিথ্যা অপবাদে তার অবুঝ শিশুকে এভাবে মারধরের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি অভিযুক্ত শিক্ষকের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।

অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিবার দাবি করেছে যে শিশুটিকে মারধর করা হয়নি, বরং সে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। তবে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন