গোপালগঞ্জে শ্বশুরবাড়ির পুকুরে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ, স্ত্রী ও শ্বশুর আটক
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬ ৮:৩৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পুকুর থেকে বি. এম. মাহমুদুল ইসলাম নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী ফাতেমা কানিজ এবং শ্বশুর কবিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত বি. এম. মাহমুদুল ইসলাম খাগড়াছড়ির মহালছড়ির ৬ এপিবিএনে সশস্ত্র উপপরিদর্শক (এসআই) পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি সদর উপজেলার বিজয়পাশা গ্রামের হায়দার আলী ভূইয়ার ছেলে। সম্প্রতি তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে পাইককান্দি গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির অদূরে একটি পুকুরে তাঁর লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মাহমুদুল ইসলামের শ্যালককে বিদেশে পাঠানোর টাকা দেওয়া নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরের পরিবারের সঙ্গে তীব্র বিরোধ চলে আসছিল।
নিহতের ভাই ও বোনের দাবি, এই আর্থিক ও পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মাহমুদুলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পুকুরে ফেলে দেয়। ইতিপূর্বেও তাঁকে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্বজনরা।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশ্যে নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
১২৭ বার পড়া হয়েছে