সর্বশেষ

আইন-আদালত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে মোজাফফর হোসেনকে

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬ ৫:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদও করা হতে পারে।
আদালতে মোজাফফর

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ হাজির করা হয়। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মোজাফফর হোসেনের সম্পৃক্ততার অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়। সেই আদেশ অনুসারে তাঁকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করার প্রস্তুতি নিয়েছে প্রসিকিউশন।

এর আগে গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ট্রাইব্যুনাল-২ গত মঙ্গলবার প্রসিকিউশনের আবেদনের পর সেনাবাহিনীকে মোজাফফর হোসেনকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। পরে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তদন্তে মোজাফফর হোসেন এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্রের তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ ছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে অতীতের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমতির আবেদন করেছেন। আদালত অনুমতি দিলে মোজাফফর হোসেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মুখোমুখি করেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, সাবেক এমপি ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গত ২৩ মার্চ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, মানব পাচার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত পৃথক অভিযোগে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ঘিরে তদন্তের সময় তাঁর এক সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএ) কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের দাবি, কথোপকথনে ব্যবহৃত ‘জন্ডু’ ছদ্মনামটি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে নির্দেশ করে বলে তারা মনে করছেন। তবে এসব তথ্য এখনো তদন্তাধীন এবং আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর সত্যতা যাচাই হবে।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন