সর্বশেষ

জাতীয়

ফ্যাসিবাদ রোধে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, ‘মতভিন্নতা থাকবে, শত্রুতা নয়’

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬ ৫:২৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, দেশে আর কখনো যেন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য সরকারি ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক শক্তিকে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি মতভিন্নতা থাকলেও শত্রুতা নয়, বরং ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে রাজনীতি পরিচালনার আহ্বান জানান।

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, গণতন্ত্রের সুরক্ষা এবং স্বৈরাচারের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মতভিন্নতা স্বাভাবিক। তবে সেই মতভিন্নতা যেন কখনো শত্রুতায় রূপ না নেয়। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের পরিবর্তে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যেন আর কখনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচারের কবলে না পড়ে এবং কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাবের কাছে রাষ্ট্র নতি স্বীকার না করে, সে জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তাঁর ভাষ্য, এই শক্তির ভিত্তি হবে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন কল্যাণমূলক সুবিধাকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় সদস্যদের পক্ষ থেকেও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রতি সমর্থন পাওয়া সরকারের জন্য ইতিবাচক বার্তা।

অর্থনীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঋণনির্ভর প্রবৃদ্ধির পরিবর্তে বিনিয়োগনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে শিগগিরই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ এবং জনগণের সমর্থন পাওয়া ৩১ দফা বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান।

শিক্ষা খাতের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের দুর্বলতা কাটিয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ জোরদার, বিতর্কিত পাঠ্যসূচি পর্যালোচনা এবং আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

১২৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন