সর্বশেষ

জাতীয়

আবাসন খাত চরম চাপে, টিকে থাকতে সরকারের সহায়তা চায় রিহ্যাব

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ ৫:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দেশের আবাসন খাত দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ, নির্মাণ ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি, উচ্চ সুদের ব্যাংকঋণ এবং নতুন নগর পরিকল্পনা–সংক্রান্ত বিধিমালার জটিলতায় সংকটের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। খাতটিকে সচল রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত সহায়তা, কর–সুবিধা এবং স্বল্প সুদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রাজউক ও রিহ্যাবের মতবিনিময় সভা

বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাজউক ও রিহ্যাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা।

সভায় রিহ্যাবের সভাপতি ড. আলী আফজাল বলেন, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) আবাসন ও সংশ্লিষ্ট শিল্পের অবদান প্রায় ১৫ শতাংশ। এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এবং ২৬৫টিরও বেশি সহযোগী শিল্প জড়িত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ফ্ল্যাট বিক্রি প্রায় ৬২ শতাংশ কমে যাওয়ায় পুরো শিল্প বড় ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং নতুন বাজেটে কর বাড়ানোর কারণে নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৪৩ থেকে ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ সুদে ব্যাংকঋণ নিয়ে আবাসন ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

রিহ্যাবের পক্ষ থেকে স্বল্প সুদের দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণ চালু, ১০ হাজার কোটি টাকার পুনরর্থায়ন তহবিল গঠন এবং আবাসন খাতের জন্য কর–সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরিকল্পিত আবাসন উন্নয়নে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

সভায় সংগঠনটি ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ)-২০২৫ সংশোধনী এবং ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা-২০২৫–এর কয়েকটি ধারা পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। রিহ্যাবের মতে, এফএআর, সেটব্যাক, ছোট প্লটে ইউনিট সংখ্যা, এসটিপি, গ্রিন বিল্ডিং, টিওডি, টিডিআর, পার্কিং, মিশ্র ব্যবহার এবং পরিকল্পনা অনুমোদনসংক্রান্ত কিছু বিধানে অস্পষ্টতা রয়েছে, যা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়া নিবন্ধন ও কর কাঠামোর বাইরে পরিচালিত শেয়ারভিত্তিক আবাসন ব্যবসাকে দ্রুত আইনি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনার দাবিও জানানো হয়।

সভায় রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ডেভেলপারদের হয়রানি নয়, বরং নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলাই রাজউকের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, ভবনের নকশা অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ কর্মদিবসে নামিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাজউকের বিভিন্ন সেবা ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন